Skip to main content

Posts

শীল সম্পর্কে বিস্তারিত

          *** প্রাণী হত্যা মহা পাপ,                   প্রাণী হত্যা হতে বিরত থাকুন।                    উ গুণবদ্ধন পঞ্ঞা মহাথের। ( রাম জাদী)  শীল হচ্ছে আদি কল্যাণ, "সব্ব পাপস্স অকরণং" অর্থাৎ সর্ব প্রকার পাপক্রিয়া বর্জন। পাপক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয় কায়ে, বাক্যে ও মনে। যা দ্বারা মন কলুষিত হয়। কিন্তু শীলের লক্ষ্য হচ্ছে পাপের পঙ্কিল পথ পরিহার করে চরিত্রকে শুদ্ধ ও সুন্দর করা। ধর্ম জীবনের বিকাশে, জীবনের পরম কল্যাণ লাভের পথে শীল বা চারিত্রিক শুদ্ধতা প্রথম প্রদক্ষেপ। পঞ্চশীলকে সবসময় সকল মানুষের পরিধানকৃত বস্ত্রের মত নিত্য পালনীয় বলে নিত্যশীল বলা হয়। কিকীব অন্ডং চমরীব বালধিং, পিয়ং বা পুত্তং নয়নং ব এককং, তথেব সীলং অনুরক্খমানকা, সুপেসলা হোথ সদা সগারবতি। কিকী পক্ষী যেমন অন্ড রক্ষা করে, চমরীগাই যেমন স্বীয় লেজ রক্ষা করে, মাতা যেমন এক মাত্র প্রিয় পুত্র এবং কানা যেমন এক চক্ষু সযত্নে রক্ষা করে তেমন শীল অনুক্ষণ রক্ষা উচিত। আজ অষ্ট শীলের প্রথম শীল সম্পর্কে আলোকপাত করব। *...

"পাহাড়ি জাতীয়তাবাদ ও নারী প্রশ্ন" প্রসঙ্গেঃ

  উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত ডালিয়া চাকমার লেখা   মুল লেখার লিংক ,👉  এখানে ঢাকা থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম অনেক দূরে! এই দূরত্ব-টা বুজতে মগজ লাগে। সোশ্যাল মিডিয়ায় যা হচ্ছে কিংবা আপনাকে গালি দেওয়া, হ্যারাসমেন্ট করা! এইসব কিন্তু পাহাড় পর্যন্ত পৌছায় না। পৌঁছালেও আপনি কিংবা আমি পাহাড়ের মানুষের কাছে মূল্যহীন। তাঁদের কাছে জীবন সংগ্রাম ই মুখ্য! আমি আপনি তুচ্ছ। আপনাকে যারা গালি দিচ্ছে আর আপনারা যারা  ভিতর থেকে না দেখে সবকিছুই এক-কেন্দ্রিক ভাবেন! আমি মনে করি আপনারা সবাই এক গোত্রের প্রানী।  আপনাকে যারা গালি দিচ্ছে কিংবা হ্যারাসমেন্ট করছে এক সময় এই বর্বর প্রাণীদের সমাজিকভাবেই শাস্তি দেওয়া হত। যখন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র শাসন শুরু করল তখন থেকেই এরাও শক্তিশালী হয়ে উঠে। পাহাড়ের সামাজিক বা রাজনৈতিক ক্ষমতা হাড়িয়ে যেতে থাকে। অনুরোধ থাকল, যদি সময় হয় জুম ঘরে কিংবা যারা জুম চাষ করে তাঁদের সাথে কয়েক দিন থেকে আছেন। যান্ত্রিক সভ্যতা আর পাহাড়ের সংস্কৃতি আকাশ-পাতাল তফাৎ। এইটা বুজে নেওয়ার দায়িত্ব নিজের আর কারোর নয়। আগে নিজেকে জানুন, আপনি কোথায় থেকে এসেছেন, আপনার আইডেন্টিটি কি? আপনার সংস্কৃতি ...

আরাকানিজ শব্দ ফালৌং (ဖလောင်း)

"ফালৌং" শব্দটি পর্তুগিজদের বুঝাতে ব্যবহৃত আরাকানি শব্দ।  এটি ফার্সি ফারাঙ্গি বা ফিরিঙ্গি শব্দের বিকৃতরূপ, অর্থাৎ ফ্রাঙ্ক, যার অর্থ ইউরোপীয়।  ইউরোপীয়দের বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত  এই শব্দটির ব্যবহার এশিয়ায় অনেক পুরনো।  এখন পর্যন্ত, থাইল্যান্ডে, সমস্ত শ্বেতাঙ্গদের "ফালাং" বলা হয়।  বার্মিজরা পর্তুগিজদের "পুতাগে" বা বা-ইন-গি বা ফারিঙ্গি বলে ডাকতো, ফারাঙ্গির অপভ্রংশ।  যাইহোক, Ba-yin-gi এর আধুনিক বার্মিজ অর্থ রোমান ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের জন্য।  আরাকানি রাজা মং ফালৌং  আরাকানি রাজা, মং ফালৌং-এর আসল নাম ছিল চিট হ্নাউং (শিট হানাউং) যার অর্থ সর্বশেষ প্রিয় (পুত্র)।  তিনি ছিলেন মং বার্গির (মং বারগরি) কনিষ্ঠ পুত্র এবং সেই দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন যখন আরাকানি সশস্ত্র বাহিনী পর্তুগিজ নৌবহর ধ্বংস করেছিল এবং দিয়াঙ্গার পর্তুগিজ দুর্গ জয় করেছিল।  এই কারণেই তার পিতা তাকে মং ফালৌং (মং ফালৌং) নাম দেন যাকে মোটামুটিভাবে "পর্তুগিজদের রাজা বা শাসক" হিসাবে অনুবাদ করা যেতে পারে।  বন্দর শহর "ফালৌংশে'"  পরে, কিছু পর্তুগিজ আরাকানিদের মিত্র হয়ে ওঠে এবং আরাকা...

Basic Digital Marketing Course

বাংলাদেশে এখন প্রায় ৩ কোটিরও বেশী মানুষ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে। এখান থেকেই Potential Customer খুঁজে নিয়ে Digital Marketing Strategy ব্যাবহার করে নিজের ব্যাবসা অথবা ফ্রিলান্সিং জগতে অর্থ উপার্জন করছে অনেকেই। যেকোনো কিছু অনলাইনে প্রচার এবং বিক্রয় বাড়ানোর জন্য Digital Marketing এর কোন বিকল্প নেই। কিন্তু আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষের এখনো একটাই প্রশ্ন- What is digital marketing? ডিজিটাল মার্কেটিং কি, কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করে ইনকাম করা যায়, Social Media Marketing এর ব্যাবহার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা পাবেন এখানে। কোর্সটি পেতে এখানে  ক্লিক করুন।

লোগো নিয়ে কিছু কথা

 ইংরেজিতে একটা কথা আছে, “A picture is worth more than a thousand words”,- দৃষ্টিলব্ধ কোনো কিছুর মর্মার্থ বুঝাতে এমনটি বলা হয়। কখনো কি ভেবে দেখেছেন যে লোগো দেখেই কেনো প্রতিষ্ঠানের প্রকৃতি বলে দেওয়া যায়? এমনকি প্রথমবার দেখেই প্রতিষ্ঠানের সেবার মান ও মনন উপলব্ধি করা যায়? লোগোই যেনো হাজার কথা বলে! একটি লোগোই যেনো কোটি টাকার ঐশ্বর্য! লোগো খুব সংক্ষিপ্ত তবে খুব অর্থবহ একটি যোগাযোগের মাধ্যম। লোগোর উপর নির্ভর করে একটা প্রতিষ্ঠানের ইমপ্রেশন। কোনো বিজনেসের ব্র্যান্ডিং খরচের অন্যতম এক ক্ষেত্র হলো লোগো তৈরি করা। একারণেই কফি শপ থেকে কেএফসি, জনপরিবহন থেকে কার কোম্পানি, ডিজাইন এজেন্সি থেকে সফটওয়্যার কোম্পানি, পোশাকের ব্র্যান্ড, ম্যাগাজিন সহ সব প্রতিষ্ঠানেই আছে লোগোর ব্যবহার। এই অর্টিকেলে লোগো তৈরি, লোগোর গুরুত্ব, উপকারিতা, প্রকারভেদ, লোগো তৈরির জন্য করণীয় বিষয় ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হবে। ★ লোগো কী? লোগো হলো যেকোনো ধরনের প্রতিক, যা একটি প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি, পণ্য বা ব্র্যান্ডকে ভিজুয়্যালি উপস্থাপন করে বা দৃষ্টিগোচর করে। লোগো মূলত একটি প্রতিষ্ঠানকে উপস্থাপন করে এবং স্বনির্ভরতার পরিচিতি দে...

এস.এস.সি-২০২১ পরীক্ষার্থীদের এ্যাসাইনসেন্ট লেখার কিছু দিকনির্দেশনা

 👉 কিভাবে একটা এ্যাসাইনমেন্ট শুরু করবে? প্রয়োজনীয় সামগ্রীঃ ১।একটি স্কেল ২। একটি পেন্সিল ৩। একটি কালো বলপয়েন্ট কলম ৪। A4 সাইজের কিছু কাগজ নাও লেখার নিয়মঃ ১। A4 সাইজের কাগজের একপাশে লিখবে (কোনো ক্রমেই উভয় পাশে লিখবে না) ২। স্পষ্ট করে লেখার চেষ্টা করবে ৩। লেখার ভিতরে কাটা-কাটি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবে ৪। প্রশ্নের সিরিয়াল (১,২,৩...../ক,খ,গ.....) ঠিকরেখে লিখবে   👉 পেইজ কিভাবে পুরণ করবেঃ   কাভার পেইজে তিনটা অংশ আছে ১। প্রথম অংশ শিক্ষার্থী পূরণ করবে  ২। দ্বিতীয় অংশ মূল্যায়নকারী শিক্ষক পূরণ করবে ৩। তৃতীয় অংশ প্রতিষ্ঠান পূরণ করবে  ** মনে রাখতে হবে কাভার পেইজ এর তিনটা অংশই ইংরেজীতে পূরণ করতে হবে। এ্যাসাইনমেন্টের যে অংশ শিক্ষার্থীগন পূরণ করবে তার প্রথমেই আছে এ্যাসাইনমেন্টের ক্রমিক নম্বর    এ্যাসাইনমেন্টের ক্রমিক নম্বরঃ তুমি যে এ্যাসাইনমেন্টেটি তৈরি করবে, সেই বিষয়ের প্রথম ঘরেই ক্রমিক নম্বর দেওয়া আছে। "বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা"  প্রশ্নে দেখো এর প্রথম ঘরেই এ্যাসাইনমেন্ট নম্বর ১ লেখা আছে । তাহলে তুমি ক্রমিক নম্বরে লিখবে, ১। কারণ তুমি ১ নম্বর শুরু...

NTRCA হতে নতুন সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ MPO ভুক্তির জন্য যা যা করবেন।

 MPO (Monthly Pay Order) কী? MPO ভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারী প্রতিমাসের বেতন-ভাতার আদেশ কে MPO বলে। সুপারিশকৃত প্রত্যেক শিক্ষকগণের জন্য এটি বাধ্যতামূলক। কোন মাসে এমপিও আবেদন করা যায়? ফেব্রু/এপ্রিল/জুন/আগস্ট/অক্টবর/ডিসেম্বর। কোন প্রক্রিয়ার আপনার পাঠানো ফাইলটি সরকারের EMIS ফাইলে পৌছাবে? ১. প্রতিষ্ঠান হতে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস বরাবরে, অনলাইনে এমপিও আবেদন পাঠানো শেষ সময় এমপিও পূর্ববর্তী মাসের ০৮ তারিখ। যেমন: সেপ্টেম্বর মাসের এমপিওভুক্তির জন্য এমপিও আবেদন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে পাঠাতে হবে পূর্ববর্তী মাস আগস্টের ০৮ তারিখের মধ্যে। ২. উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস হতে আবেদন নিস্পত্তি করে, জেলা শিক্ষা অফিস বরাবরে এমপিও আবেদন অগ্রায়ণ এর শেষ সময় এমপিও পূর্ববর্তী মাসের ১৪ তারিখ। ৩. জেলা শিক্ষা অফিস থেকে আঞ্চলিক উপপরিচালক (মাধ্যমিক) অফিস বরাবরে, এমপিও আবেদন অগ্রায়ণের শেষ সময় এমপিও পূর্ববর্তী মাসের ২১ তারিখ। ৪. আঞ্চলিক উপপরিচালক (মাধ্যমিক) অফিস হতে ইএমআইএস সেলে (EMIS Cell) এমপিও আবেদন অগ্রায়ণ/নিস্পত্তির শেষ সময় এমপিও মাসের ১০ তারিখ। ফাইল...

Non-Government Teachers' Registration & Certification Authority (NTRCA)

 রেজাল্ট জানতে  নিচে click here বাটনে চাপুন     click here

ত্রিপিটক

  ৰিনযপিটক সুত্তপিটক অভিধম্মপিটক ৰিনযপিটক (অট্ঠকথা) সুত্তপিটক (অট্ঠকথা) অভিধম্মপিটক (অট্ঠকথা) ৰিনযপিটক (টীকা) সুত্তপিটক (টীকা) অভিধম্মপিটক (টীকা) ৰিসুদ্ধিমগ্গ সঙ্গাযন-পুচ্ছ ৰিস্সজ্জনা লেডী সযাডো গন্থ-সঙ্গহো বুদ্ধ-ৰন্দনা গন্থ-সঙ্গহো ৰংস-গন্থ-সঙ্গহো ব্যাকরণ গন্থ-সঙ্গহো নীতি-গন্থ-সঙ্গহো পকিণ্ণক-গন্থ-সঙ্গহো সিহল়-গন্থ-সঙ্গহো

◾প্রাণীহত্যা থেকে বিরত থাকা

  ✍️ লিখেছেন - উ গুণওয়াদ্ধন পঞ্ঞা মহাথের 🔰পাণাতিপাতের অর্থ প্রাণী হত্যা থেকে বিরত থাকার অর্থ সকল জীবনধারী সত্ত্বদের প্রাণ সংহার থেকে বিরত থাকা। পিঁপড়া, ছারপোকা, উকুন, মশা, মাছি, শামুক, ঝিনুক, মুরগি, গরু, ছাগল, মহিষ ইত্যাদি সকল প্রাণীর প্রাণ হরণ না করা। যে কোন প্রাণীকে হত্যা করলেই পাণাতিপাত হয়। প্রাণী হত্যার পাঁচটি অঙ্গ আছে। ১) প্রাণী হওয়া,  ২) প্রাণীবলে জানা,  ৩) হত্যার চিত্ত থাকা,  ৪) হত্যার প্রচেষ্টা করা এবং  ৫) সেই প্রচেষ্টায় মৃত্যু হওয়া। এপাঁচটি অঙ্গ পরিপূর্ণ হলে প্রাণী হত্যা কর্ম সৃষ্টি হয়। “কম্মপথ” বলতে অপায় গমনের কর্মকে বুঝায়। ‘পাণাতিপাত কম্মপথ’ হলে অপায় ভূমিতে প্রতিসন্ধি হওয়ার ফল প্রদানে জনকশক্তি অবশ্যই সৃষ্টি হবে। কম্মপথ না হলে প্রতিসন্ধি ফল প্রদান করে না। পাঁচ প্রকার অঙ্গের মধ্যে যে কোন একটি অঙ্গ অপরিপূর্ণ থাকলে সেটা প্রাণী হত্যা হবেনা। উপমা - রাস্তায় হেঁটে যাওয়ার সময় নিজের অজ্ঞাতসারে পায়ের নীচে পড়ে পোকা-মাকড় ইত্যাদি মারাগেলে প্রাণীহত্যা হবে না। 🔰বড়ছোট ভেদে পাপের তারতম্য- প্রাণীর শরীর বড় ছোট অনুযায়ী, প্রাণীর আচরণীয় শীল অনুসারে পাপও কম-বেশী হয়। প্রাণ...

কালবেলা

  এটি সমরেশ মজুমদারের বিখ্যাত ও জনপ্রিয় উপন্যাস উত্তরাধিকারের পরবর্তী পর্ব। উত্তরাধিকারে যেখানে গিয়ে উপন্যাসটা শেষ হয় তারপর থেকে কালবেলা শুরু। উপন্যাসের শুরুতেই দেখা যায় কলেজ জীবন শেষ করে অনিমেষ এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। কলকাতা পড়াশোনা করতে আসে অনিমেষ। বিএ পড়াশোনার করার পর এমএ পড়ার সময় জড়িয়ে পড়ে রাজনীতিতে। উপন্যাসের এক পর্যায়ে মাধবীলতা নামের একটি মেয়ে প্রেমের বন্ধনে জড়িয়ে পড়ে সে। মেয়েটি অনিমেষের যাবতীয় কাজে অকুন্ঠ সমর্থন করে যায়। দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিক্রমায় অনিমেষ যখন খেয়াল করে তার দল আদর্শ লাইনচ্যুত তখন সে বাম রাজনীতি ছেড়ে বিপ্লবের পথে অস্ত্র হাতে অগ্রসর হয়। এখানেও মাধবীলতা তাকে সমর্থন করে যায়। বিদ্রোহের কাজের শুরুতে তাকে কলকাতা ছাড়তে হয়। বিদ্রোহের কাজের এক পর্যারে বারভূমে আসে একটি গোপন বৈঠক করতে। গোপন বৈঠকের রাতটা অনিমেষ মাধবীলতার সাথে কাটায়। সেখান থেকে ফিরে বিদ্রোহের এক পর্যায়ে পুলিশ কতৃক গ্রেফতার হয় এবং জেলে পঙ্গুত্ব বরণ করে। জেলে থাকার সময়টাতে সে সংবাদ পায় বীরভূমের রাতটার ফসল মাধবীলতা দুনিয়াতে আনয়ন করছে। পঙ্গুত্বটা অনিমেষকে হাঁপিয়ে তোলে। সে পালিয়ে যেতে চায়। সে কি চাইলেই যেতে প...

উত্তরাধিকার

  উত্তরাধিকার। এটি সমরেশ মজুমদারের লেখা সর্বাধিক জনপ্রিয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে একটি। উপন্যাসটি কলকাতার ‘দেশ’ পত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশিত হতো যা পরে বই আকারে বের হলে তা পাঠকের মনে স্থায়ীভাবে জায়গা করে নেয়। উত্তরাধিকারের মূল চরিত্রের নাম অনিমেষ। নিজের পরিবারের সাথে বসবাস করছিলো স্বর্গছেঁড়ার চা বাগানের কোয়ার্টারে। বংশানুক্রমে দাদু, বাবা দুজনেই চা বাগানের বড় বাবু। যে সময়ের ঘটনা লেখক তাঁর এই উত্তরাধিকার নামক ফ্রেমে আটকাতে চেয়েছেন সে সময়টায় ভারত সবে ইংরেজদের শাসন থেকে মুক্তি পেয়েছে। শিশু অনির হাত দিয়ে ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট পতাকা স্বাধীনতা দিবসের পতাকা উত্তলনের মধ্যে দিয়ে তার মনে দেশপ্রেমের বীজ ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে উপন্যাসে। ছোট বেলা বুনা বীজ চারাগাছের ন্যায় বাড়ছিল সে যখন তার পিশি ও দাদুর সাথে জলপাইগুঁড়ি চলে যায়। বরাবর চুপচাপ ও নির্বিবাদী অনিমেষের চোখ দিয়েই ঔপন্যাসিক আমাদেরকে দেখিয়েছেন একটা অস্থির সময়ের ছবি। কংগ্রেস-বামদের বিরোধ, চিরাচরিত বাঙালী পরিবারের টানাপোড়েন ও ভালোবাসা, দেশপ্রেম আর সামনের অনিশ্চিত জীবনের পথে পা বাড়ানো সবটাই যেন উঠে এসেছে অবধারিতভাবে। উত্তরাধিকার শুধু একটি উপন্যাস নয়, এটি একটি...

কাল পুরুষ

  এটি উত্তরাধিকার ও কালবেলা উপন্যাসের ঘটনা প্রবাহ ধরে লেখা আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস। কালবেলা উপন্যাসে অনিমেষ যে ফসল বুনেছিল এই উপন্যাসে তা চারা গাছ হয়ে একটু একটু করে বড় হতে থাকে! অনিমেষ আর মাধবীলতার ভালোবাসার ফসল অর্ক। নামটা মাধবীলতার দেয়া। তাদের নিস্তব্ধ জীবনের সূর্য যেন অর্ক। পঙ্গু স্বামী ও ছেলেকে নিয়ে বস্তির এক বাড়িতে মাধবীলতার বাস! পরিবেশ পরিস্থিতির কারনে সব সময় কি একটা ভয়ে থাকে মাধবীলতা! বস্তিতে থাকার মাশুল অবশ্য দিতে হয় তাদের। স্কুল আর ঋণের চাপে জর্জরিত মাধবীলতা আর পুলিশের অত্যাচারে পঙ্গু অসহায় অনিমেষের শত সতর্কতার পরও অর্ক আস্তে আস্তে বস্তির পরিবেশে আসক্ত হয়ে পরে। কিলা, খুরকি, বিলা এরাই হয়ে ওঠে অর্কর নিত্যদিনের সঙ্গী। তবে অন্য একটা ঘটনায় সমাজের উচু তলার কিছু মানুষগুলোর আসল চেহারাটা সামনে আসে অর্কর। ঘটনার তীব্রতায় জ্বর চলে আসে তার। এতবড় ছেলে মায়ের আচলে মুখ গুজে খালি বলে চলে বমি পাচ্ছে মা। কতটা নোংরা কদর্যতা দেখলে একটা ছেলে এমন কথা বলতে পারে এইসব ভেবে তীব্র প্রতিবাদে মুখরিত হয়ে ওঠে অর্ক। নিজের সাথে নিজেই প্রতিজ্ঞা করে সমাজের এসব অসঙ্গতির সাথে কখনোই তাল মেলাবে না। তারপর তাকে ব...

সাতকাহন

  সাতকাহন উপন্যাসটি সমরেশ মজুমদারের লেখা একটি নারী কেন্দ্রিক উপন্যাস। সমাজের নিচু স্থান থেকে একা একজন মেয়ের উপরে উঠে আসার গল্প এই সাতকাহন। উপন্যাসটি দ্বারা লেখক বুঝাতে চেয়েছেন যদি ইচ্ছে শক্তি দৃঢ় হয়, তার লক্ষ্য ঠিক থাকে ও কঠোর পরিশ্রমী হয় তাহলে তাকে কেউ ঠেকাতে পারবে না।আমাদের সমাজে একটি মেয়ের অবস্থান কোথায় তারই কিছু বাস্তব চিত্র এই উপন্যাসে তুলে ধরা হয়েছে। উপন্যাসের মূল চরিত্র দীপাবলী নামের একটি সাহসী মেয়ে। উপন্যাসে দীপাবলী ছাড়াও আরো অনেকগুলো নারী চরিত্র এসেছে। চা-বাগানকে ঘিড়ে যাদের জীবিকা, তাদের জীবন কেমন হয় তার চমৎকার বর্ণনা পাওয়া যায় বইটিতে। দীপাবলীর উপরে উঠার প্রথম ধাপটি শুরু হয় এই চা-বাগান থেকেই। সাহস আর একাগ্রতার জোরেই অতীতের সবকিছু ভুলে শুরু করতে পেরেছিল নতুন জীবন।নিজের ভাগ্য নিজেই তৈরি করেছিল পড়াশুনার মাধ্যমে। কাছের মানুষরা লোভে ভয়ঙ্কর দানব হয়ে উঠেও দীপাকে কেউই থামাতে পারেনি। তখন সে বুঝতে পারে সে আসলে অনেকের মাঝে থেকেও ভীষন একা। তবুও সে ভেঙ্গে পড়েনি। দীপার কাছের মানুষ বলতে কেউই ছিলোনা! কেউ হাত বাড়িয়ে দেয়নি দীপার দিকে। সুযোগ ছিলো অনেক, চাইলেই তা হাত বাড়িয়ে নিতে পারতো দীপা। ক...

গর্ভধারিনী

সমরেশ মজুমদারের লেখা দুঃসাহসী ও অভিনব বিষয়বস্তু নিয়ে, সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে নতুন পরীক্ষার ফলশ্রুতি এই গর্ভধারিণী উপন্যাস। অসম অর্থনৈতিক কাঠামোয় বড় হয়ে ওঠা চার বন্ধু, তাদের মধ্যে একজন নারী, এক সময়ে উপলব্ধি করল অদ্ভুত এক আঁধার নেমে এসেছে এই দেশে। কারও যেন নিজস্ব কোন দায় নেই, দেশটার ভালোমন্দের ইজারা রাজনৈতিক দলগুলির ওপর দিয়ে অধিকাংশ মানুষ ঘরের নিরাপদ কোণ খুঁজছে। এই ক্লৈব্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে চেয়েছে ঐ চারজন যুবক-যুবতী, পরিণামে তাদের আত্মগোপন করতে হলো হিমালয়ের কোণে এক পাহাড়ী গ্রামে, যেখানে সভ্যতার নখ এখনো আঁচড় কাটেনি। সেখানে শুরু হলো তাদের একজনের- যে একমাত্র নারী তাদের দলে, তার-বিচিত্ৰ আত্মত্যাগ ও সাধনা। এই উপন্যাস তাদের সকলের সেই স্বপ্ন, সাধনা ও সংগ্রামের কাহিনী।  

◾শীল নির্বাণের সোপান

 জীব হত্যা মহা পাপ,  জীব হত্যা হতে বিরত থাকুন। ✍️লিখেছেন - উ গুণওয়াদ্ধন পঞ্ঞা মহাথের। শীল হচ্ছে আদি কল্যাণ, "সব্ব পাপস্স অকরণং" অর্থাৎ সর্ব প্রকার পাপক্রিয়া বর্জন। পাপক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয় কায়ে, বাক্যে ও মনে। যা দ্বারা মন কলুষিত হয়। কিন্তু শীলের লক্ষ্য হচ্ছে পাপের পঙ্কিল পথ পরিহার করে চরিত্রকে শুদ্ধ ও সুন্দর করা। ধর্ম জীবনের বিকাশে, জীবনের পরম কল্যাণ লাভের পথে শীল বা চারিত্রিক শুদ্ধতা প্রথম প্রদক্ষেপ। পঞ্চশীলকে সবসময় সকল মানুষের পরিধানকৃত বস্ত্রের মত নিত্য পালনীয় বলে নিত্যশীল বলা হয়। কিকীব অন্ডং চমরীব বালধিং, পিয়ং বা পুত্তং নয়নং ব এককং, তথেব সীলং অনুরক্খমানকা, সুপেসলা হোথ সদা সগারবতি। কিকী পক্ষী যেমন অন্ড রক্ষা করে, চমরীগাই যেমন স্বীয় লেজ রক্ষা করে, মাতা যেমন এক মাত্র প্রিয় পুত্র এবং কানা যেমন এক চক্ষু সযত্নে রক্ষা করে তেমন শীল অনুক্ষণ রক্ষা উচিত।

MLM (multi level marketing) কি?

👉এটির অপর নাম নেটওয়ার্ক মার্কেটিং। এটি দু উপায়ে ব্যবসা দাঁড় করাই। এক. একটি নির্দিষ্ট এমাউন্টের টাকা দিয়ে মানুষ টু মানুষ রেফার করে। দুই. পণ্য বেচাকেনার মাধ্যমে ও হয়ে থাকে। যেই এমএলএম কোম্পানিগুলো শুধু মানুষ রিক্রুটের মাধ্যমে আপনাকে কিছু টাকা দিতে চায়- সেগুলো অনেকটা আপনার টাকা দিয়ে আপনাকে হালের গরু বানায়। কিভাবে? - আপনি ১২০০ টাকা দিয়ে মেম্বার হলেন। সেপর কোম্পানি বলবে আপনাকে দুজন শিষ্য আনতে হবে - তারা হবে; ডান এবং বাম। ডান ১২০০ টাকা + বাম১২০০ টাকা = ২৪০০ টাকা দিয়ে আপনার দুজন শিষ্য হলো। সেই ২৪০০ টাকা হতে আপনাকে ২০℅ করে কোম্পানি দেবে যা টোটাল ৪৪০ টাকা আর বাকী ১৯৬০ টাকা হতে আপনার উপরের অন্য বসদের দেয়া হবে ২~৩~৪℅ হারে। সবমিলিয়ে দুজন হতে কোম্পানির লাভ থাকবে ১০০০ টাকা প্লাস। আপনার যে দুজন শিষ্য হবে, আপনি তাদেরকে শিষ্য বানাতে চাপ দিবেন নতুবা আপনার বস আপনাকে চাপ দেবে অন্য ডান - বাম শিষ্য তুলতে। এভাবে আপনি ধরুন ১০০০ জন শিষ্য খুজেঁ পেলেন। তখন শিষ্যদের টোটাল টাকা হবে ১২০০x১০০০ = ১২০০০০০ টাকা। এই টাকা হতে কোম্পনির লাভ হবে ৫০০x১০০০= ৫০০০০০ টাকা বাকী টাকাগুলো কোম্পানি অন্যান্য শিষ্যদের ভাগ করে দেবে। -...

বৌদ্ধপ্রধান দেশগুলোতে করোনার প্রকোপ কম কেন?

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের সবচেয়ে বড় ধাঁধাটি হয়তো লুকিয়ে রয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে। করোনার উৎস চীন এবং এই মুহূর্তে সংক্রমণের অন্যতম হটস্পট ভারতের একেবারে কাছে হওয়া সত্ত্বেও কম্বোডিয়া, লাওস, থাইল্যান্ড, মিয়ানমারের মতো পুরোপুরি বা আংশিক বৌদ্ধপ্রধান দেশগুলোতে ভাইরাসের প্রকোপ নেই বললেই চলে। এক্ষেত্রে সবার আগে উল্লেখ করতে হয় ভিয়েতনামের কথা। ৯ কোটি ৭০ লাখ জনসংখ্যার দেশটিতে করোনায় কেউ মারা যায়নি; সাত কোটি জনসংখ্যার থাইল্যান্ডে প্রাণহানি ৫৮টি, গত ৪০ দিন ধরে সেখানে স্থানীয়ভাবে কেউ আক্রান্ত নেই; দারিদ্র্যপীড়িত মিয়ানমারে মোট ৩১৭ রোগীর মধ্যে মারা গেছেন মাত্র ছয়জন। এছাড়া কম্বোডিয়া (১৪১ জন আক্রান্ত) এবং ক্ষুদ্র রাষ্ট্র লাওসেও (১৯ জন আক্রান্ত) করোনায় মৃত্যুর রেকর্ড তো নেই-ই, গত এপ্রিল থেকে সেখানে স্থানীয়ভাবে কোনও সংক্রমণও হয়নি। অথচ এদের পাশ্ববর্তী দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়া (আক্রান্ত ৬৮ হাজার, মৃত ৩ হাজার ৪০০) ও ফিলিপাইনে (আক্রান্ত ৫০ হাজার ৪০০, মৃত ১ হাজার ৩০০) এখনও তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনাভাইরাস। কারণ কী? সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহের ব্যাখ্যা বাদ দিলে এর পেছনে আরও কিছু কারণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এক্ষেত্রে ভিয়েত...

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন দাখিলের জন্য করণীয়ঃ

২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন দাখিলের জন্য করণীয়ঃ (ক) নিন্মলিখিত নিয়মে আবেদন Submit করতে হবে। ১. টেলিটক/বিকাশ/শিওরক্যাশ/নগদ/ সোনালী ব্যাংক এর আবেদন ফি ১৫০/- টাকা জমা দেওয়ার পর আবেদনকারীকে নির্ধারিত website-এ ( www.xiclassadmi ssion.gov.bd ) যেয়ে “Apply Online” Button -এ ক্লিক করতে হবে;এরপর প্রদর্শিত তথ্য ছকে এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রোল নম্বর, বোর্ড ও পাসের সন এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সঠিকভাবে এন্ট্রি করতে হবে। আবেদনকারীর দেয়া তথ্য সঠিক হলে তিনি তার ব্যক্তিগত তথ্য ও এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত GPA দেখতে পাবেন। ২. এরপর শিক্ষার্থীর Contact Number (ফি প্রদানের সময় প্রদত্ত মোবাইল নম্বর) এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা দিতে হবে। ৩. অতঃপর তাঁকে ভর্তিচ্ছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রুপ, শিফট এবং ভার্সন Select করতে হবে। এভাবে শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ১০টি (ইন্টারনেট এবং SMS উভয় পদ্ধতি মিলে) সর্বমোট কলেজ/মাদরাসা Select করতে পারবে। এই ফরমে আবেদনকারী তাঁর সকল আবেদনের পছন্দক্রমও নির্ধারণ করতে পারবে। ৪. এরপর আবেদনকারী “Preview Application” Button-এ ক্লিক করলে তার আবেদনকৃত কলেজসমূহের তথ্...